ফাইনালে পেশোয়ার

ক্রিড়া ডেস্ক :  পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) দ্বিতীয় এলিমিনেটরে মুখোমুখি হয়েছিল করাচি কিং ও পেশোয়ার জালমি। জিতলেই ফাইনাল এমন সমীকরণ ছিল দু’দলের সামনে। বুধবার রাতে মুখোমুখি হয় এ দুই দল।এদিকে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ভেজা আউটফিল্ডের কারণে ম্যাচ শুরু হতে দেরি হয়েছিল।

এজন্য খেলা ২০ থেকে নেমে আসে ১৬ ওভারে। তবে মাঠে ছিলেন না টাইগার তারকা তামিম ইকবাল। চোটের কারণে করাচির বিপক্ষে দ্বিতীয় এলিমিনেটর ম্যাচে পেশোয়ারের হয়ে অংশ নিতে পারেনি তিনি।তবে তামিম মাঠে না থাকলেও কামরান আকমলের ঝড়ো হাফ সেঞ্চুরির উপর ভর শেষ পর্যন্ত করাচিকে ১৩ রানে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে দলটি।

টস জিতে পেশোয়ারকে ব্যাটিং করতে পাঠায় করাচির অধিনায়ক মোহাম্মদ আমির। তামিম না থাকলেও শুরু থেকেই ঝড়ো ব্যাটিং শুরু করেন দুই ওপেনার কামরান আকমল ও আন্দ্রে ফ্লেচার। দুইজনে মিলে গড়েন শতরানের জুটি।

ফ্লেচার ৩০ বলের বিপরীতে ৩৪ রান করে মাঠ ছাড়লে এরপর মাত্র ২৭ বলে খেলে ৭৭ রানের ঝড়ো ইনিংস গড়ে কামরান আকমল। পাঁচটি চার ও আটটি ছয়ের মার এ গড়ে তোলেন এ ঝড়ো ইনিংস। আর শেষ দিকে অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি ১ বলে ২৩ রান করলে ১৭০ রানের বড় সংগ্রহ পায় দলটি।

পেশোয়ারকে জাবাদ দিতে গিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি করাচির। ওপেনার মুক্তার আহমেদ দলীয় ১৩ রানেই ব্যক্তিগত ১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। তবে দ্বিতীয় উইকেটে বাবর আজম ও ডেনলি ১১৭ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখচ্ছিল।

বাবর আজম ৬৩ রান করে সাজঘরে ফিরে গেলে জয়ের স্বপ্ন মলিন হয়ে যায়।নিজেদেরকে জয়ের খাতায় নাম লেখাতে শেষ ওভারে ২৭ রানের দরকার ছিল দলটির।তবে চেষ্টাও করেও শেষ পর্যন্ত ১৩ রানের বেশি নিতে পারেনি ডেনলি।৭৯ রানে অপরাজিত থাকেন ডেনলি।

২৫ মার্চ করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হবে পেশোয়ার।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
পেশোয়ার জালমি : ১৭০/৭ (১৬ ওভার) (কামরান ৭৭, ফ্লেচার ৩৪, স্যামি ২৩; মিলস ২/২৩, বোপারা ৩/৩৫)।
করাচি কিংস : ১৫৭/২ (১৬ ওভার) (ডেনলি ৭৯*, বাবর ৬৩; হাসান ১/৪১, সামিন ১/২০)।
}ফলাফল : পেশোয়ার জালমি ১৩ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : কামরান আকমল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *