সবজির বাজারে উত্তাপ কুমিল্লায়

কুমিল্লা সংবাদদাতা :  সবজির বাজারে উত্তাপ, এখনো স্বস্তি ফিরেনি কুমিল্লার খুচরা বাজারগুলোতে। জেলা প্রশাসন, খাদ্য নিয়ন্ত্রণের একাধিক মোবাইল কোর্টসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণের পরও কুমিল্লার বাজারগুলোয় কমেনি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। শনিবার সরজমিনে গিয়ে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রথম রমজানের মতো এখনো প্রতিটি পণ্যের দামে রয়েছে ঊর্ধ্বগতি। রমজান শুরুর আগে হঠাৎ করেই কুমিল্লার বাজারগুলোয় অস্থিরতা শুরু হয়। এ প্রভাব মানুষের চোখে পড়ে রমজানের প্রথম দিন থেকেই। রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নাগালের মধ্যে রাখতে অভিযানে নামেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এদিকে বাজার সংশ্লিষ্ট সবজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানের আগেই সবজির দাম বেড়েছে। প্রথম রমজানের দাম যা ছিল, এখনো সেই সবজির দাম একই রয়েছে। তবে ক্রেতারা বলছেন আগের তুলনায় বাজারে সব পণ্যেরই যোগান বেড়েছে। কিন্তু এখনো দ্রব্যমূল্য মানুষের হাতের নাগালে আসেনি। সবচেয়ে বেশি উত্তাপ সবজির বাজারে। অধিকাংশ সবজি ৪০ টাকা থেকে ৭০ টাকার মধ্যে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

শুক্রবার ও শনিবার কুমিল্লার রাজগঞ্জ, রাণীর বাজার, কান্দিরপাড় নিউ মার্কেট, বাদশা মিয়ার বাজার এবং টমছম ব্রিজ কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানে দোকানে সবজির সংগ্রহ ভালোই রয়েছে। তবে প্রতিটি পণ্যের দামে রয়েছে ঊর্ধ্বগতি। প্রতি কেজি বেগুন ৪৫-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি পটল ৪৫ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০টাকা, কাঁচা মরিচ ৫০টাকা, ঢেড়স ৪০ টাকা, টমেটো ৫০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, কচুর লতির কেজি প্রতি ৫০ টাকা, শসা ৫০টাকা, আলু ২৫ টাকা, কাকরোল ৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া প্রতি হালি লেবু ৩০ টাকা, প্রতি পিস লাউ ও মিষ্টি কুমড়া ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

দাম বৃদ্ধি নিয়ে ক্রেতা মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, রমজান মাসে বাজার দর কম হওয়ার কথা। ব্যবসায়ীরা নিজেদের মতো করে বাড়তি দামে সবজি বিক্রি করছে।
সবজি বিক্রেতা আক্তার হোসেন জানান, অন্য বছরের রমজানের তুলনায় এ বছরের রমজানে সবজির মূল্য ততটা বাড়েনি। দেশে চলমান বৃষ্টির জন্যই হঠাৎ করে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে সবজির দাম। প্রথম রমজানে সবজির যে দাম ছিল, একই দাম এখনো অব্যাহত রয়েছে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আছাদুল ইসলাম বলেন, আমরা সার্বক্ষণিক বাজারের খোঁজখবর নিচ্ছি। বিশেষ করে রমজানকে ঘিরে কাঁচা বাজার ও ভোক্তাদের নিত্যদিনের পণ্যের প্রতি আমরা বাড়তি নজর দিয়ে আসছি। রমজানের প্রথম দিকে আমরা বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে অভিযান চালিয়েছি। রমজান শেষ হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সবজির বাজারে উত্তাপ, এখনো স্বস্তি ফিরেনি কুমিল্লার খুচরা বাজারগুলোতে। জেলা প্রশাসন, খাদ্য নিয়ন্ত্রণের একাধিক মোবাইল কোর্টসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণের পরও কুমিল্লার বাজারগুলোয় কমেনি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। শনিবার সরজমিনে গিয়ে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রথম রমজানের মতো এখনো প্রতিটি পণ্যের দামে রয়েছে ঊর্ধ্বগতি। রমজান শুরুর আগে হঠাৎ করেই কুমিল্লার বাজারগুলোয় অস্থিরতা শুরু হয়। এ প্রভাব মানুষের চোখে পড়ে রমজানের প্রথম দিন থেকেই। রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নাগালের মধ্যে রাখতে অভিযানে নামেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এদিকে বাজার সংশ্লিষ্ট সবজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানের আগেই সবজির দাম বেড়েছে। প্রথম রমজানের দাম যা ছিল, এখনো সেই সবজির দাম একই রয়েছে। তবে ক্রেতারা বলছেন আগের তুলনায় বাজারে সব পণ্যেরই যোগান বেড়েছে। কিন্তু এখনো দ্রব্যমূল্য মানুষের হাতের নাগালে আসেনি। সবচেয়ে বেশি উত্তাপ সবজির বাজারে। অধিকাংশ সবজি ৪০ টাকা থেকে ৭০ টাকার মধ্যে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

শুক্রবার ও শনিবার কুমিল্লার রাজগঞ্জ, রাণীর বাজার, কান্দিরপাড় নিউ মার্কেট, বাদশা মিয়ার বাজার এবং টমছম ব্রিজ কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানে দোকানে সবজির সংগ্রহ ভালোই রয়েছে। তবে প্রতিটি পণ্যের দামে রয়েছে ঊর্ধ্বগতি। প্রতি কেজি বেগুন ৪৫-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি পটল ৪৫ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০টাকা, কাঁচা মরিচ ৫০টাকা, ঢেড়স ৪০ টাকা, টমেটো ৫০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, কচুর লতির কেজি প্রতি ৫০ টাকা, শসা ৫০টাকা, আলু ২৫ টাকা, কাকরোল ৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া প্রতি হালি লেবু ৩০ টাকা, প্রতি পিস লাউ ও মিষ্টি কুমড়া ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

দাম বৃদ্ধি নিয়ে ক্রেতা মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, রমজান মাসে বাজার দর কম হওয়ার কথা। ব্যবসায়ীরা নিজেদের মতো করে বাড়তি দামে সবজি বিক্রি করছে।
সবজি বিক্রেতা আক্তার হোসেন জানান, অন্য বছরের রমজানের তুলনায় এ বছরের রমজানে সবজির মূল্য ততটা বাড়েনি। দেশে চলমান বৃষ্টির জন্যই হঠাৎ করে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে সবজির দাম। প্রথম রমজানে সবজির যে দাম ছিল, একই দাম এখনো অব্যাহত রয়েছে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আছাদুল ইসলাম বলেন, আমরা সার্বক্ষণিক বাজারের খোঁজখবর নিচ্ছি। বিশেষ করে রমজানকে ঘিরে কাঁচা বাজার ও ভোক্তাদের নিত্যদিনের পণ্যের প্রতি আমরা বাড়তি নজর দিয়ে আসছি। রমজানের প্রথম দিকে আমরা বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে অভিযান চালিয়েছি। রমজান শেষ হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *