ডায়াবেটিক প্রতিরোধে স্টেভিয়া

 বৈচিত্র ডেস্ক :বিরল উদ্ভিদ স্টেভিয়া এখন বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্টেভিয়া চাষ হচ্ছে। চিনির চেয়ে প্রায় ৩’শ গুণ বেশি মিষ্টি এই স্টেভিয়া ডায়াবেটিক প্রতিরোধসহ বিভিন্ন রোগবালাই নিরাময়ে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, চিনির চেয়ে প্রায় ৩০০ গুণ বেশি মিষ্টি হলেও এর কোনো পার্শ্ব প্রতক্রিয়া নেই। বিরল ও বিপুলসংখ্যক প্রজাতির গাছে সমৃদ্ধ আমাদের এই দেশ। প্রকৃতির স্বতন্ত্র রূপে শোভিত এ গাছগুলো একদিকে যেমন সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে, অন্যদিকে গবেষণায় দিচ্ছে নতুন দিকনির্দেশনা। তবে সব তথ্য উপাত্তকে হার মানিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে চিকন পাতার হালকা কচি ডালে সজ্জিত গাছ, যার নাম স্টেভিয়া।

স্টেভিয়ার বৈজ্ঞানিক নাম Stevia Disambiguation ev Stevia Rebaudiana.

জানা গেছে, স্টেভিয়া এমন একটি গাছ যাতে রয়েছে স্টেভিডিন নামক এক ধরনের অ্যালকোহল, যা থেকে স্টেভিয়া সুগার বা চিনি তৈরি করা যায়। এটি আখ থেকে তৈরি চিনি অপেক্ষা প্রায় ৩’শ গুণ বেশি মিষ্টি। ফলে যে কোনো খাদ্যদ্রব্য তৈরীতে চিনি পরিবর্তে এ স্টেভিয়া সুগার ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে চিনির চেয়ে খরচ অনেক গুণ কমিয়ে আনা সম্ভব। ফলে ডায়াবেটিক রোগীও নিশ্চিন্তে এই স্টেভিয়া দিয়ে তৈরি মিষ্টি খাবার গ্রহণ করতে পারেন। এটি শুকিয়ে পলিথিন, বোতল বা যেকোন বায়ুরুধক পাত্রে সংরক্ষন করে অনেকদিন খাওয়া যায়।

স্টেভিয়া দেখতে অনেকটা আমাদের দেশের আলু গাছের মতো। এগুলো ১২ থেকে ১৬ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। গাছের পাতা, শেকড় থেকে শুরু করে সবকিছুর আকৃতির আলু গাছের মতোই হলেও এ গাছের শেকড়ে আলুজাতীয় কিছু হয়না। তবে গাছগুলোতে ফুল এবং ফল ধরে। ফলের বীজ থেকে চারাও উৎপাদন করা যায়। বহুল আলোচিত এ উদ্ভিদের জন্ম দক্ষিণ আমেরিকায়। দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় সব জায়গায় স্টেভিয়া পাওয়া যায়। বিভিন্ন তথ্য মতে জানাগেছে, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যেমন ব্রাজিল, উরুগুয়ে, আমিরিকা, জাপান, আর্জেন্টিনা, চিলি, ভেনেজুয়েলা, ইসরাইল, থাইল্যান্ড এবং চীনসহ প্রভৃতি দেশে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হচ্ছে। তবে জাপানীজরা সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারি। তারা তাদের মোট চিনি চাহিদার শতকরা ৪০ ভাগ এই স্টেভিয়া গাছ থেকে সংগ্রহ করে থাকে।

জানা যায়, ১৯৯৬ সালে ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মফিজুর রহমান সুদূর ব্রাজিল থেকে এই স্টেভিয়া বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। পরে গবেষণার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের তৎকালীন প্রফেসর একেএম রফিউল ইসলাম ১৯৯৮ সালে নিয়ে আসেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেনে পরীক্ষামূলক চাষাবাদ শুরু করা হয়। শুধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েই নয়, ব্র্যাকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এ উদ্ভিদ নিয়ে ব্যাপকভাবে গবেষণা শুরু করে। ইতোমধ্যে ব্র্যাক স্টেভিয়া গাছ থেকে চিনি তৈরি করে তা বাজারজাত করছে বলে জানাগেছে। অনেকেই আবার শখ করে টবের মাধ্যমে বাসা বাড়িতে এই গাছের চাষাবাদ করছেন। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন গুণগত মানসম্পন্ন হওয়ায় এই দেশসহ বিশ্ববাজারে স্টেভিয়া গাছের চিনি ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ চীনে এই গাছ থেকে তৈরী চিনির রফতানি মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে বলে জানা গেছে (প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ১৬০ ডলার)।

স্টেভিয়াকে যদি বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ করা হয় তাহলে শুধু আমাদের চিনির চাহিদাই মেটাবে না, প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করছেন অনেকেই। যা দেশের কৃষি অর্থনিতীতে গুরুপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। তাছাড়া স্টেভিয়ার চিনি উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত ও বাজারজাত করনের মাধ্যমে দেশের দারিদ্র্য দূরীকরণসহ কিছুটা হলেও দূর হবে বেকারত্ব। তাই এ গাছ নিয়ে উচ্চতর পর্যায়ে আরও বেশি গবেষণা হওয়া দরকার বলে মনে করেন কৃষি গবেষক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

স্টেভিয়াতে কোনো ক্যালরি ও কার্বোহাইড্রেট নেই। যার কারনে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা নিশ্চিন্তে খেতে পারেন। এছাড়া বøাড সুগার নিয়ন্ত্রণ, উচ্চরক্তচাপ প্রতিরোধসহ ত্বকের ক্ষত দ্রুত নিরাময় করে এই স্টেভিয়া। জিরো ক্যালরি মিষ্টি ফসল স্টেভিয়ার গুরুত্ব, উৎপাদন ও ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত জানা সম্ভব না হলেও এটুকু জানা গেছে যে, এটি কম্পোজিটি (Compositae) পরিবারের অর্ন্তভুক্ত। ইহা ট্রপিক্যাল বা সাব ট্রপিক্যাল ও কষ্টসহিষ্ণু বহু বর্ষজীবি (পেরিয়িাল) গুল্ম জাতীয় ঔষধি গাছ। পৃথিবীতে স্টেভিয়ার ২৪০টির মত প্রজাতি এবং ৯০টির মত জাত আছে। গাছটির অনেক শাখা প্রশাখা গজায়। মোটামূল মাটির নীচের দিকে গমন করে এবং চীকন মূলগুলি মৃত্তিকা পৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে। পাতাগুলি বিপরীত দিকে অবস্থিত, খাজকাটা, আঁশালো ও গাঢ় সবুজ। ফুলগুলি সাদা, নলাকৃতি এবং উভয়লিঙ্গ। গাছগুলি সুগন্ধ ছড়ায় না, কিন্তু পাতাগুলি মিষ্টি।

তথ্যমতে, গাছটির উৎপত্তিস্থল প্যারাগুয়েতে ১৯৬৪ সালে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চাষ শুরু হয়। দক্ষিণ আমিরিকার প্রকৃতি বিজ্ঞানী এন্টোনিও বারটোনি (Antonio Bertoni) ১৯৮৭ সালে সেখানে প্রথম স্টেভিয়ার গাছ আবিস্কার করেন বলে বিভিন্ন তথ্যে জানা গেছে। স্টেভিয়া চাষের জন্য তাপমাত্রা ১৫০ সে. থেকে ৩০০ সে., আর্দ্রতা ৬৫ভাগ থেকে ৮৫ভাগ  এবং বছরে ১৪০ সেমি. বৃষ্টিপাত থাকা উত্তম। স্টেভিয়ার গাছ সহজে উৎপাদন করা যায়। এমন কি মাটির টবে চাষ করা যায়। স্টেভিয়ার পাতা চিনি অপেক্ষা ৩০ থেকে ৪০ গুন এবং পাতার স্টেভিয়াসাইড চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুন বেশি মিষ্টি হয়ে থাকে। বিস্ময়কর বিষয় যে, এ উদ্ভিদের পাতার ১০০ গ্রাম নির্যাস থেকে ৪০ কেজি চিনির সমপরিমাণ মিষ্টি পাওয়া যায়। এর জন্য অনেকেই স্টেভিয়াকে মিষ্টি পাতা, মধুপাতা এবং মিষ্টি হার্ব প্রভৃৃতি নামে ডাকা হয়।

এর গুরুত্ব আলোচনা করে শেষ করার মতো নহে, তবে এটুকু বলা যায় যে,  স্টেভিয়ার পাতা চিনি অপেক্ষা ৩০-৪০ গুন এবং পাতার স্টেভিয়াসাইড চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুন বেশি মিষ্টি। ক্যালরিমুক্ত এই মিষ্টি গাছের পাতা বা পাতার গুড়া ডায়াবেটিক রোগী সেবন করলে রক্তে গ¬ুকোজের পরিমান পরিবর্তন হয় না। এটি প্যানক্রিয়েজ ইনসুলিন উৎপাদন উদ্দীপ্ত করে। রক্তের চাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি ব্যাকটেরিয়া সাইডাল এজেন্ট হিসাবে কাজ করে। এটি খেলে দাঁতের ক্ষয়রোগ রোধ করে। স্কিন কেয়ার (skin care) হিসাবে কাজ করে বিধায় ত্বকের কোমলতা এবং লাবণ্য বৃদ্ধি করে এই স্টেভিয়া। স্বাদ বৃদ্ধিকারক (Flavour enhancer) হিসাবে কাজ করে। চা, কফি, মিষ্টি, দই, বেকড ফুড, আইসক্রিম, কোমল পানীয় ইত্যাদি তৈরীতে ব্যবহার করা যায়। এটি বিভিন্ন ঔষধি তৈরীতে ব্যবহৃত হয়। এর ভেষজ উপাদান মানুষের দেহে কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না।

দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটি স্টেভিয়া চাষের জন্য বেশ উপযোগী। উচু জমি স্টেভিয়া চাষের জন্য অধিক উপযোগী। মৃত্তিকার পিএইচ ৬.৫ থেকে ৭.৫ থাকা উত্তম। বছরের যে কোন সময় চাষ করা যায়। তবে জানুয়ারী থেকে মার্চ (মধ্য পৌষ থেকে মধ্য চৈত্র) মাসে চাষ করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়। জমি খুব ভালভাবে চাষ ও মই দিয়ে তৈরী করতে হয়। জমির অবস্থা ও মাটির প্রকারভেদে ৪ থেকে ৬ টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি ভালভাবে ঝুরঝুরে করে চাষ করতে হয়। পানি সেচ ও অতিরিক্ত পানি নিস্কাষনের সুব্যবস্থা রাখতে হবে। সারি থেকে সারির দুরত্ব ৫০ সেমি থেকে ৫৫ সেমি এবং গাছ থেকে গাছের দুরত্ব ৫০ সেমি ৫৫ সেমি হলে ফলন ভালো পাওয়া যায়। এক হেক্টর জমিতে ৪০ হাজার গাছ লাগানো যায়। তবে আমাদের দেশে সাধারনত টিস্যু কালচারের মাধ্যমেই স্টেভিয়ার চাষ করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, চিনি মানুষের মস্তিষ্কে কোকেনের মতো প্রভাব ফেলতে সক্ষম। যার একমাত্র সমাধান চিনির বিকল্প কিছু খুঁজে বের করা। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (হো) মানুষের খাদ্য তালিকা থেকে চিনির পরিমাণ অর্ধেকে নামিয়ে আনার আহŸান জানিয়েছে। ২০১১ সালে ইউরোপিয় ইউনিয়ন (ইইউ) স্টেভিয়া ব্যবহারের ছাড়পত্র দিয়েছে। এর পর থেকে স্টেভিয়া সম্পর্কে জানার আগ্রহ বাড়তে থাকে।

স্টেভিয়া গাছে খুব কম পরিমান সার প্রয়োজন হয়। মাটি পরীক্ষার পর প্রয়োজন মত সার প্রয়োগ করা ভাল। তবে অনুমোদিত গড় সারের মাত্রা বিঘা প্রতি ২০ কেজি ইউরিয়া, ৬ কেজি টিএসপি, ৫ কেজি এমপি ব্যবহার করা উচিত। সমুদয় টিএসপি সার জমি চাষের সময় ব্যবহার করতে হয়। তবে ইউরিযা ও এমপি সার তিন বারে উপরে প্রয়োগ করতে হবে। চারা লাগানোর এক মাস পর হতে প্রয়োজনে প্রতি মাসে ইউরিয়া ও এমপি সার জমির উপরে প্রয়োগ করতে হবে।

জমিতে আগাছা দমন ও সেচের ব্যবস্থা করতে হবে। চারা লাগানোর পর চারার গোড়ায় যাতে পানি না জমে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রয়োজনে চারার গোড়ায় অল্প মাটি তুলে দেওয়া যেতে পারে। মাঝে মাঝে মাটি আলগা করে দিলে ফসল ভালো হয়। স্টেভিয়া চাষে পোকামাকড় ও রোগবালাই এর তেমন কোন উপদ্রপ হয় না। মাঠে চাষ করলে আষাঢ়-শ্রাবণ মাস হতে শুরু করে ভাদ্র-আশ্বিন মাস পর্যন্ত স্টেভিয়া গাছ হতে পাতা সংগ্রহ করা যায়। মাটির টবে লাগানো গাছ বড় হওয়ার পর সারা বছরই পাতা সংগ্রহ করা সম্ভব। একটি মাটির টবে লাগানো গাছ হতে ৩০ কি ৪০ গ্রাম সবুজ পাতা হতে ৭ গ্রাম থেকে ১০ গ্রাম শুকনা পাতার গুড়া পাওয়া যায়। গাছে ফুলের কুঁড়ি আসার পূর্বে এবং ফুলের কুঁড়ি দেখা দেওয়ার সাথে সাথে পাতা সংগ্রহ শুরু করতে হয়। সকাল বেলা পাতা সংগ্রহ করলে মিষ্টতা বেশি পাওয়া যায়।

সম্প্রতি শেষ হওয়া চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা-২০১৮ জামালপুরের বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই)  এর স্টলে টবের মধ্যে রোপিত স্টেভিয়া গাছ দেখতে ও স্টেভিয়ার গুড়ো খেতে দর্শকদের ছিলো উপচে পড়া ভিড়। সেখানের দর্শকদের অধিকাংশের মধ্যেই এই গাছ চাষে আকাশ চুম্বী চাদিহা লক্ষ করা গেছে। বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) জামালপুর উপকেন্দ্রের ইনচার্জ উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানীক কর্মকর্তা ড. খন্দকার মহিউল আলম জানান, প্রতি বিঘা জমিতে ৪৫০ কেজি থেকে ৫৫০ কেজি সবুজ পাতা পাওয়া যায়। যা হতে ১৫৫ কেজি থেকে ১৯০ কেজি শুকনা গুড়া পাওয়া সম্ভব। প্রকৃতিতে ইহা বীজ, মূলের বিভাগ এবং কান্ড লেয়ারিং এর মাধ্যমে বংশ বিস্তার করলেও, টিস্যু কালচারের মাধ্যমেও বংশবিস্তার করা সম্ভব। চিনির বিকল্প হিসেবে সবাই খেতে পারেন। সম্পুর্ণ নিরাপদ। পাতা সবুজ ও শুকনো চিবিয়ে কিংবা চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়। পাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে বোতলে সংরক্ষণ করা যায়। অনেকে পানের সঙ্গে মিষ্টি জর্দ্দার পরিবর্তে স্টেভিয়া গুঁড়ো করে ব্যবহার করেন। ফলে ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে রাখে। অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসরণে সহায়তা করে। উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করে। শরীরের সুস্থতা বজায় রাখে। ক্যালোরী বিহীন প্রাকৃতিক মিষ্টি, যা চিনির চেয়ে প্রায় ৩শ’ গুন বেশী মিষ্টি। বর্তমানে আমাদের দেশে খুব দ্রæতহারে স্টেভিয়ার চাহিদা বাড়ছে। তারা জনগনকে স্টেভিয়া চাষে আগ্রহী করে তুলছেন। তবে বিদেশে এর অনেক বড় বাজার রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানান, এই দেশে বানিজ্যিক ভাবে স্টেভিয়া চাষ করে বৈদেশীক মুদ্রা আয় করা সম্ভব। তিনি জানান, এক একর জমিতে স্টেভিয়া চাষ করে বছরে ৪ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। নকলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ পরেশ চন্দ্র দাস জানান, সারা দেশের ন্যায় নকলা উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া স্টেভিয়া চাষের উপযোগী। যেকেউ স্টেভিয়া চাষ করে স্বাবলম্বী হতে পারেন বলে তিনি মনে করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *