ক্ষতিপূরণের রায় কার্যকরের নজির খুবই কম

বৈচিত্র ডেস্ক : সড়ক দুর্ঘটনা ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আদালত ক্ষতিপূরণের আদেশ দিলেও তা প্রতিপালনের নজির খুব কম। দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বা হাত-পাসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হারানোর ঘটনায় বহু মামলার রায় উচ্চ আদালতে আটকে আছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দিনের পর দিনও আপিল কার্যক্রমও শেষ হয়নি। ফলে বিচারপ্রার্থীদের বছরের পর বছর ঘুরতে হচ্ছে আদালতের বারান্দায়। আবার ক্ষতিপূরণ আদায়ে মালামাল ক্রোক কিংবা সম্পত্তি নিলামের আদেশও তামিল হয়নি।

এমন পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী বা তার পরিবার যেমন ক্ষতিপূরণ বুঝে পাননি। তেমনি আদেশ প্রতিপালন না করার শাস্তি না হওয়ায় খুব অল্পসংখ্যক ক্ষেত্রে মালিক ও আক্রান্তদের মধ্যে আপসের নমুনা দেখা যায়। সড়ক দুর্ঘটনার ইস্যুতে বেশ কিছু মামলার রায় বাস্তবায়ন চিত্র পর্যবেক্ষণে মিলেছে এমন তথ্য।

আইনজ্ঞরা বলছেন, এমনিতেই দীর্ঘ আইনি জটিলতা আর ঝামেলার কারণে অনেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে চান না। সেখানে যদি ক্ষতির শিকার ব্যক্তি বা পরিবার আদালতের রায়ের বাস্তবায়ন দেখতে না পায় তাহলে হতাশা আরও বেড়ে যায়। তাই রায় বাস্তবায়ন পরিস্থিতি তদারকিতে আদালতেরই একটি ম্যাকানিজম বের করা দরকার। পাশাপাশি এ ধরনের মামলা নিষ্পত্তিতে আদালতের দীর্ঘসূত্রতা দূর এবং মামলা পরিচালনায় আর্থিকভাবে অসচ্ছলদের সহায়তার ব্যবস্থা থাকা দরকার। ক্ষতিপূরণ আইনও যুগোপযোগী করতে হবে।’

এ প্রসঙ্গে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় উচ্চ আদালতের বেশ কিছু নির্দেশনা আছে। যারা এসব আদেশ বাস্তবায়ন করছেন না তাদের আইনের আওতায় আনা দরকার। তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করা যেতে পারে। আইন মেনে না চললে দেশে আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।’ তিনি বলেন, ‘ক্ষতিপূরণ হল দেওয়ানি বিষয়। কেউ ফৌজদারি মামলা করার পাশাপাশি দেওয়ানি আদালতে ক্ষতিপূরণের মামলা করার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।’

নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘ক্ষতিপূরণ নিয়ে আদালত অনেক রায় দিয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রেই এসব রায় বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এটা গুরুতর অপরাধ। রায় অমান্যকারীকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা দরকার।’

ঢাকার কারওয়ানবাজারে দুই বাসের রেষারেষিতে কলেজছাত্র রাজীবের হাত এবং মহাখালীতে বাসচাপায় গৃহকর্মী রোজিনার পা বিচ্ছিন্ন হওয়া নিয়ে অসন্তোষের রেশ কাটতে না কাটতেই বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থীর প্রাণহানি ঘটে। এরপরই নিরাপদ সড়ক দাবিতে বিক্ষোভে নামে স্কুল ছাত্রছাত্রীরা। এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে।

ক্ষতিপূরণ পায়নি সাংবাদিক মন্টুর পরিবার : ১৯৮৯ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন দৈনিক সংবাদের সাবেক বার্তা সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন মন্টু। এ ঘটনায় তার স্ত্রী রওশন আক্তার ক্ষতিপূরণ মামলা করেন। আইনি লড়াইয়ে ইতিমধ্যে ২৭ বছর কেটে গেছে। রওশন আক্তার যুগান্তরকে জানান, তার স্বামী বাংলাদেশ বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজের গাড়ির ধাক্কায় নিহত হন। ওই গাড়ির চালক তার স্বামীকে ‘হত্যা’ করেছে।

সুপ্রিমকোর্টের রায় অনুযায়ী তার পরিবার ১ কোটি ৭১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ পাবেন। অর্থ আদায়ের জন্য ডিক্রি জারি মামলা করা হয়। বিচারিক আদালত বিবাদীপক্ষের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন। এরপর ওই কোম্পানির তেজগাঁওয়ের পাঁচ বিঘা জায়গা নিলামে বিক্রির নির্দেশ দিয়ে ওই অর্থ পরিশোধের আদেশ দেন আদালত। তবে কয়েক দফা নিলাম ডাকা হলেও ওই জায়গা বিক্রি করা যাচ্ছে না। জমিটি ব্যাংকের নিকট মর্টগেজ থাকায় কেউ আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এখন বিবাদীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

পুরো ক্ষতিপূরণ পায়নি পা হারানো রাসেল সরকার : সড়ক দুর্ঘটনার মামলায় ক্ষতিপূরণ দেয়া সংক্রান্ত আদালতের সাম্প্রতিক আলোচিত আদেশের মধ্যে একটি হচ্ছে যাত্রাবাড়ীতে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে গ্রিনলাইন পরিবহনের বাসচাপায় প্রাইভেট কার চালক রাসেল সরকারের পা হারানোর ঘটনা। গত বছর ২৮ তিনি গ্রিনলাইন পরিবহনের একটি বাসের চাপায় পা হারান। এরপর ওই বছরের ১৪ মে ক্ষতিপূরণ চেয়ে সাবেক এমপি আইনজীবী উম্মে কুলসুম হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। গত ১২ মার্চ রাসেল সরকারকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। আদেশে ৫০ লাখ টাকা দেয়ার পাশাপাশি গ্রিনলাইন কর্তৃপক্ষের খরচে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাসেলের কৃত্রিম পা লাগানোর ব্যবস্থা করতে বলেন আদালত। এ ছাড়া রাসেলের অন্য পায়ে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে সে খরচও গ্রিনলাইন কর্তৃপক্ষকে দিতে বলা হয়।

আদেশের বিরুদ্ধে গ্রিনলাইন পরিবহন আপিলে গেলে সেখানেও হাইকোর্টের রায় বহাল থাকে। তারিখ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের টাকা না দেয়ায় গত ৪ এপ্রিল গ্রিন লাইনের মহাব্যবস্থাপক আবদুস সাত্তার আদালতে হাজির হয়ে বলেছিলেন, তাদের প্রতিষ্ঠানের মালিক চিকিৎসার জন্য ভারতে গেছেন, ফিরবেন ৯ এপ্রিল। এরপর হাইকোর্ট রাসেলকে ৫০ লাখ টাকা পরিশোধ করে ১০ এপ্রিলের মধ্যে আদালতে হলফনামা দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয় গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষকে। তা না হলে গ্রিন লাইনের সব বাস জব্দ করা হবে এবং ১১ এপ্রিল থেকে টিকিট বিক্রি বন্ধ রাখার হুঁশিয়ারি দেন আদালত।

গত বুধবার হাইকোর্ট রাসেল সরকারকে আপাতত কিছু টাকা দেয়ার জন্য গ্রিনলাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। ওইদিনই পরিবহনের মালিক হাজী আলাউদ্দিন পাঁচ লাখার একটি চেক রাসেল সরকারকে দেন। বলেন, ১৫ এপ্রিল এটা ক্যাশ করা যাবে। বাকি ৪৫ লাখ টাকা এক মাসের মধ্যে রাসেলকে বুঝিয়ে দিতে ওই পরিবহনের মালিককে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রাসেল সরকারের ক্ষতিগ্রস্ত ডান পায়ের চিকিৎসা সাভারের সিআরপিতে করানোর আদেশ দেন আদালত।

রাসেল সরকার বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে বলেন, আদালতের মাধ্যমে পাঁচ লাখ টাকার চেক পেয়েছি। এখনও ক্যাশ করা হয়নি। আমার ডান পায়ে দ্রুত অপারেশন করাতে হবে। অ্যাপোলো হাসপাতালে যোগাযোগ করেছি, তারা বলেছেন তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা লাগবে। সড়ক দুর্ঘটনায় পর আমার ১৭ লাখ টাকা লেগেছে। চিকিৎসা করাতে গিয়ে আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি।

ক্ষতিপূরণ পায়নি তারেক মাসুদের পরিবার : ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ এবং এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মিশুক মুনীরসহ পাঁচ আরোহী। এ ঘটনায় নিহতদের পরিবারের সদস্যরা মানিকগঞ্জে মোটরযান অর্ডিন্যান্সের ১২৮ ধারায় বাস মালিক, চালক ও ইনস্যুরেন্স কোম্পানির বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ চেয়ে দুটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার একটির চূড়ান্ত রায়ে তারেক মাসুদের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারকে ৪ কোটি ৬১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৫২ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

তিন মাসের মধ্যে বাসের মালিক, চালক ও সংশ্লিষ্ট বীমা কোম্পানিকে এই টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়। এর মধ্যে বাস চালক ৩০ লাখ, বাস মালিক ৪ কোটি ৩০ লাখ ৯৫ হাজার ৪৫২ এবং রিলায়েন্স ইনস্যুরেন্সকে ৮০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়। বাস মালিক পক্ষ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে যায়। ফলে এখনও ক্ষতিপূরণ পায়নি তারেক মাসুদের পরিবার।

ক্ষতিপূরণ পায়নি শিক্ষার্থী রাজীবের পরিবার : গত বছর রাজধানীর কারওয়ানবাজারে দুই বাসের রেষারেষিতে হাত হারানো রাজীব হাসানের মৃত্যু সবাইকে কাঁদিয়েছে। বাসে ঝুলে থাকা তার ছিন্ন হাতের ছবি আতঙ্কে বিহ্বল করেছে সবাইকে। হাত হারানোর সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাজীবকে কেন ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে না সে বিষয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। তার মৃত্যুর পর রাজীবের ভাইদেরকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে আদেশ দেন আদালত। তবে আপিল বিভাগ সেই রায় স্থগিত করেছেন।

আবরারের পরিবার পায়নি টাকা : গত ১৯ মার্চ রাজধানীতে বাসচাপায় নিহত হন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) ছাত্র আবরার আহমেদ চৌধুরী। ২১ মার্চ তার পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ‘জরুরি খরচ’ হিসেবে দিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। সুপ্রভাত পরিবহন কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের মধ্যে টাকা দিতে বলা হয়। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় আবরারের মৃত্যুতে তার পরিবারকে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেয়া হবে না তা জানতে চান আদালত। হাইকোর্ট এ আদেশ দিলেও এখনও সেই টাকা দেয়নি বাস মালিক পক্ষ।

চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের পরিবার ক্ষতিপূরণ পায়নি : রাজধানীর চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবার ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। ২৬ ফেব্রুয়ারি এ ঘটনায় দায়ের করা রিটের শুনানিতে আদালতের জিজ্ঞাসার জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছিলেন, যারা অগ্নিকাণ্ডে মারা গেছেন তাদেরকে এক লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে। আদালত বলেন, এটা পর্যাপ্ত নয়। আমরা চাচ্ছি তাদেরকে যেন ৫ লাখ টাকা করে দেয়া হোক।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এভাবে আদেশ দিলে যে কোনো ঘটনায় সবাই আদালতে ছুটে আসবে। আমি সরকারকে আদালতের এই মনোভাব জানাব। কিন্তু পরবর্তীতে আর ক্ষতিপূরণ না দেয়ায় রোববার হাইকোর্ট অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

ক্ষতিপূরণ পায়নি সাদিয়া আফরিন সূচির পরিবার : ২০০৭ সালের ১১ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ঢাকা সিটি কলেজের ছাত্রী সাদিয়া আফরিন সূচি (২২)। ‘অকালেই ঝরে গেল সূচি’ শিরোনামে পরের দিন একটি রিপোর্ট দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত হলে স্বপ্রণোদিত হয়ে হাইকোর্ট প্রথমে রুল এবং পরে শুনানি শেষে রায় দেন। রায়ে সারা দেশে প্রতিটি গাড়িতে গতি নিয়ন্ত্রক যন্ত্র স্থাপনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এ ঘটনায় ঘাতক বাস মালিকের পক্ষ থেকে সূচির পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেবে বললেও এখনও দেয়া হয়নি।

ক্ষতিপূরণ পাওয়ার নজির খুবই কম : সড়ক দুর্ঘটনা ও অগ্নিকাণ্ডের বিভিন্ন হতাহতের ঘটনায় আদালত ক্ষতিপূরণের আদেশ দিলেও তা প্রতিপালনের নজির খুবই কম। দেশের ইতিহাসে এ পর্যন্ত মাত্র চারটি ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পেয়েছে নিহতের পরিবার। ২০১০ সালের ২৬ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র বেলাল হোসেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গোলচক্করের সামনে তুরাগ পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় নিহত হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন সহকারী প্রক্টর আমজাদ হোসেন, তুরাগ পরিবহনের মালিক এবং শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিমের মধ্যস্থতায় ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পায় বেলালের পরিবার।

১৯৯১ সালের ২৯ মার্চ রাজধানীর মৌচাক মার্কেটের সামনে মারা যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নাফিয়া গাজী। ঘটনার ২৬ বছর পর বিআরটিসি নাফিয়া গাজীর পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়। এ ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় বিমানবন্দর সড়কে গত বছরের ২৯ জুলাই জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাসের চাপায় নিহত হন দুই শিক্ষার্থী আবদুল করিম রাজীব ও দিয়া আক্তার মিম। পরে ওই দুই পরিবারকে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ৭ অক্টোবর পাঁচ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয় জাবালে নূর কর্তৃপক্ষ। এছাড়া রাজধানীর শাহজাহানপুরে পাইপে পড়ে নিহত শিশু জিহাদের পরিবারকে আদালতের আদেশ অনুসারে ২০ লাখ টাকার ‘চেক ও পে-অর্ডার’ দিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *