এই দুষ্টচক্র থেকে পরিত্রাণ আছে কি?

ড. মাহবুব উল্লাহ্: বাংলাদেশে শিক্ষার মানে অবনতি ঘটেছে, এ ব্যাপারে অনেকেই হয়তো দ্বিমত করবেন না। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষার প্রতিটি স্তরে অবনতির লক্ষণগুলো স্পষ্ট। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার মান নিরূপণের জন্য কোনো ধরনের জরিপ করা হয় না।

সুতরাং বোঝা যায় না, মানের অবনতি কতটকু হচ্ছে এবং কত দ্রুতগতিতে হচ্ছে। প্রতিযোগিতামূলক এই বিশ্বে শিক্ষার মান কোনো একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে বজায় রাখাই যথেষ্ট নয়। অন্যান্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য শিক্ষার মানকে নিরন্তর উন্নত করার প্রয়াস চালাতে হয়।

এশিয়ার চারশ’ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকায় বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। বিবিসির সূত্র উল্লেখ করে এদেশের একটি দৈনিকে এ খবরটি প্রচার করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক উচ্চশিক্ষা নিয়ে গবেষণা করে এমন একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা এশিয়াতে উচ্চমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা করেছে।

তার মধ্যে বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। জাতির জন্য বিষয়টি অত্যন্ত লজ্জাজনক ও গ্লানিকর। এই যদি হয় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থা, তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ কী হতে পারে!

টাইমস হাইয়ার এডুকেশন নামে লন্ডনভিত্তিক এ প্রকাশনাটি ২০১৯ সালের যে তালিকা দিয়েছে, সেখানে এশিয়ার ৪০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৩৫০। কিন্তু বাংলাদেশের অনুমোদিত ৪২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটিও স্থান পায়নি এই তালিকায়।

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা পদ্ধতিসহ নানা বিষয় নিয়ে বিভিন্ন সময় সমালোচনা হয়। কিন্তু কেন বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় স্থান পেল না? বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে ছাত্রদের পাস করিয়ে দেয়া হবে এই উদ্দেশ্য যত না গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল গবেষণার কাজ। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে কিছু গবেষণা হচ্ছে বটে; কিন্তু তার বাইরে অন্যান্য ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কোনো গবেষণা হচ্ছে না। গবেষণার জায়গায় বাংলাদেশের অবস্থান অনেক পেছনে।

এদিকে এক সময়ে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বরাবর এসেছে দেশের নানা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে। আমরা প্রায়ই গর্বের সঙ্গে বলি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনসহ গণতন্ত্র, স্বাধিকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের সূতিকাগার। নিঃসন্দেহে গর্ব করার মতো বিষয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এক্ষেত্রেও ভাটা পড়েছে। এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অতীতের মতো প্রতিবাদমুখর নয়।

বিদ্যমান রাজনীতির প্রতি তাদের এক ধরনের অনীহা সৃষ্টি হয়েছে। মোটা দাগে বলা যায়, এই শিক্ষার্থীরা দেশের প্রচলিত রাজনীতির ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করা যায় এমন কোনো জাতীয় ব্যক্তিত্ব তাদের সামনে অনুকরণীয় হিসেবে অবস্থান করছেন না। এই পরিস্থিতিকে অনেকে বিরাজনীতিকরণের ফল হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।

কিন্তু কেন বিরাজনীতিকরণের প্রভাব এত সর্বগ্রাসী হয়ে উঠেছে তার কোনো ব্যাখ্যা দেন না। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং ঢাকার অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের জন্য আন্দোলন করেছে। আন্দোলনটি ছিল ন্যায্য। কিন্তু এই আন্দোলনে ট্রাডিশনাল কোনো ছাত্র সংগঠন নেতৃত্ব দেয়নি। কিছু ছাত্র সংগঠন আন্দোলনটির প্রতি সমর্থন দিয়েছে।

কিন্তু সরকারপন্থী ছাত্র সংগঠন আন্দোলনকারীদের হাতুড়িপেটা করেছে। স্পষ্টতই বোঝা যায়, ছাত্র আন্দোলন নিয়ে গর্বকারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরও অবক্ষয় ঘটেছে। ভিন্নমতকে সহ্য করার মতো কালচার দিনে দিনে এই প্রতিষ্ঠানে দুর্বল থেকে দুর্বলতর হচ্ছে। এর মূল কারণ যথেচ্ছভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা ধরে রাখার প্রয়াস। রাষ্ট্রক্ষমতা ধরে রাখতে পারলে সমাজের একটি গোষ্ঠীর ফায়দা লোটার সুযোগ হয় এবং ধনী থেকে আরও ধনী হওয়ার সুযোগ মেলে।

টাইমস হায়ার এডুকেশন ১৩টি দিক বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান ও অবস্থান নির্ণয় করেছে। গতবারের প্রথম স্থানে থাকা ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুরকে টপকে এবার প্রথম স্থানে এসেছে চীনের সিংহুয়া ইউনিভার্সিটি। ৩ এবং ৪ নম্বরে রয়েছে হংকংয়ের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়। হংকংও চীনের সার্বভৌমত্বের অধীন। এভাবে ৪০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের যে তালিকা তার মধ্যে কোনোটি একটু ওপরে উঠেছে এবং কোনো কোনোটি কিছুটা নিচের দিকে নেমেছে। আবার নতুন যোগ হয়েছে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়। উচ্চশিক্ষাক্ষেত্রে চীনের এই উন্নতি প্রণিধানযোগ্য। চীন শুধু অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেই উন্নতি করছে না, নতুন জ্ঞান ও প্রযুক্তি সৃষ্টিতেও চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অগ্রগণ্য স্থান নিতে শুরু করেছে। চীনের নেতৃত্ব সঠিকভাবেই উপলব্ধি করেছে, আগামী দিনে চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ধরে রাখতে হলে জ্ঞান ও প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই।

বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের একটি বড় অভিযোগ হল বেতন-ভাতার বাইরে গবেষণার জন্য সরকারের বরাদ্দ খুবই অপ্রতুল। এই অভিযোগ অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। তারপরও কথা থেকে যায়। গবেষণার জন্য অর্থ বরাদ্দ বাড়ালেই কি সমস্যার সমাধান হবে? বহু বছর আগে ব্রিটিশ শাসনামলে সিভি রামন মাদ্রাজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করে রসায়ন শাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক সত্যেন বোস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করে বোসন কণা আবিষ্কার করেছিলেন। তার এই সাফল্যের পেছনে ছিল গণিত শাস্ত্রের লজিকের ব্যবহার। এর জন্য তিনি কোনো ল্যাবরেটরির সাহায্য পাননি। আইনস্টাইন আপেক্ষিকতাবাদের যে সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন সেটাও ছিল গণিত শাস্ত্রের তাত্ত্বিক শক্তির ব্যবহার। তিনিও কোনো ল্যাবরেটরিতে কাজ করেননি। পরবর্তীকালের বিজ্ঞানীরা প্রায়োগিক গবেষণা করে আইনস্টাইন ও সত্যেন বোসের গবেষণালব্ধ ফলাফলকে বাস্তবে প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। আমার প্রয়াত শিক্ষক প্রফেসর আবু মাহমুদ এক সেমিনারে পরিহাস করে বলেছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ এক দোয়াত লেখার কালিও উপহার দিতে পারেনি। ওই সময় লেখার জন্য ফাউন্টেন পেন বা ঝরনা কলম ব্যবহৃত হতো। কলমের কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য ইংল্যান্ডে তৈরি স্কৃপ কালি অথবা জার্মানিতে তৈরি পেলিক্যান কালি ব্যবহার করা হতো।

এখন ঝরনা কলম খুব একটা ব্যবহার করা হয় না। এর পরিবর্তে এসেছে বল পয়েন্ট কলম। আমার জীবনে বল পয়েন্ট কলমের ব্যবহার দেখতে পেয়েছি ১৯৫৬ সালে আমার ছোট মামার হাতে। তিনি তখন পাকিস্তান স্টেট ব্যাংকে চাকরি করতেন। মনে হয়েছিল এই কলমের ঐন্দ্রজালিক ক্ষমতা রয়েছে। ঝরনা কলম থেকে বলপয়েন্ট কলমের ব্যবহার ছিল লেখনী প্রযুক্তিতে বড় এক উল্লম্ফন। নতুন আবিষ্কার খুব সামান্য হতে পারে কিংবা হতে পারে বিশাল। যুগে যুগে লেখনীর ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে, মানবজাতি এক্ষেত্রেও অনেক পরিবর্তন এনেছে।

এসব পরিবর্তনের লক্ষ্য ছিল লেখার কাজে স্বাচ্ছন্দ্য আনা এবং লেখাকে অমোচনীয় রূপ দেওয়া। গবেষণার জন্য শুধু অর্থই যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন অনুসন্ধিৎসু মন এবং জানা ও শেখার জন্য নিরন্তর প্রয়াস। ড. শহীদুল্লাহর জামাতা ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. সিরাজুল হক এক সেমিনারে মন্তব্য করেছিলেন, নাপিতের দোকানে যে কয় রকমের ক্ষুর দেখা যায়, অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বাসায় সেই সংখ্যক বই দেখতে পাওয়া যায় না। এটা বহু বছর আগের কথা। এখন শিক্ষকরা বলবেন, অনলাইনে অনেক গ্রন্থ মুহূর্তেই ডাউনলোড করা যায়। ই-জার্নালের প্রচলন হয়েছে। জ্ঞানের রাজ্যে বিচরণের এই সুযোগ সত্ত্বেও ক’জন এই সুযোগ ব্যবহার করে নিজ জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করছেন?

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন অতি রাজনীতিকরণের শিকার। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার তুলনায় দলীয় আনুগত্য প্রাধান্য পায়। সব দলীয় সরকারের আমলেই এই অভ্যাসটি জারি ছিল এবং জারি আছে। দিনে দিনে এই চর্চা ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে। দেখা যায়, যে ক’টি পদের জন্য বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে, তার চেয়েও বেশিসংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে। অর্থাৎ দল ভারি করা হচ্ছে। এ কারণেই বলা হয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকের পরিবর্তে ভোটার রিক্রুট করা হয়। ১৯৭৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্বায়ত্তশাসন দিয়ে ১৯৭৩-এর বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন ছিল শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি। এর জন্য পাকিস্তান আমলে বহু সংগ্রাম করতে হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য স্বায়ত্তশাসনের একটি মহৎ লক্ষ্য ছিল। লক্ষ্যটি হল, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জ্ঞানচর্চার মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি; কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল মুক্তচিন্তার সুযোগ যখন খোলা দরজা দিয়ে ঢুকল, তখন জ্ঞানচর্চা জানালা দিয়ে পালাল। ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইনের মাধ্যমে সিনেট নির্বাচন, সিন্ডিকেট নির্বাচন, ডিন নির্বাচন এবং ভিসি নির্বাচনসহ বহু রকমের নির্বাচন প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। দেখা যায়, বছরের অধিকাংশ সময়ে রংবেরঙের প্যানেলধারী শিক্ষক নেতা ও তাদের অনুসারীরা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।

এর ফলে শ্রেণীকক্ষে শিক্ষাদান ও জ্ঞান সৃষ্টি গৌণ হয়ে পড়েছে। এই আইনটির খসড়া প্রণয়নের সঙ্গে কিছুসংখ্যক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সংশ্লিষ্ট ছিলেন। আইনের খসড়া দেখে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান যথার্থভাবেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, এত নির্বাচন থাকলে লেখাপড়া কীভাবে হবে? এই মন্তব্য করে তিনি বলেছিলেন, আপনারা যখন চাচ্ছেন তখন তাই হবে। সেই ১৯৭৩ সালের পর বেশক’টি দশক গড়িয়ে গেছে। কোনো সরকারই এই আইনে সংস্কার আনার কোনো চেষ্টা করেনি। কারণ রাজনৈতিক প্রতিরোধের ভয়। আমরা যদি রাষ্ট্রের স্থপতি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের আশঙ্কাটিকে ধারণ করতাম, তাহলে এতদিনে নিশ্চয়ই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা স্বউদ্যোগে সংস্কার আনার কাজে সহায়তা করতেন। কিন্তু সেটি তো হওয়ার কথা নয়। কারণ মিডিওক্রেসির কাছে সে রকম কিছু আশা করা যায় না। যেমন আশা করা যায় না বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জ্ঞান বিতরণ, চর্চা ও জ্ঞান সৃষ্টি। এ অবস্থায় কীভাবে আশা করা যাবে ৪০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাংলাদেশের অন্তত একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থান করে নেবে?

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কথা নাই বা বললাম। অধিকাংশ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় একমুখী এবং সার্টিফিকেট বিতরণের কারখানায় পরিণত হয়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে বাণিজ্য জ্ঞানের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করেছে। এককথায় নিরন্তর জ্ঞান সাধনা, জ্ঞান বিতরণ ও জ্ঞান সৃষ্টিতে ব্রতী না হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উচ্চতর শিখরে উঠিয়ে আনা প্রায় অসম্ভব। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এই অবস্থার জন্য প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার দুরবস্থা অবশ্যই দায়ী।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিম্নমান পূর্বতন স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিম্নমানের ক্রম পুঞ্জীভূত ফল। এই দুষ্টচক্র থেকে উদ্ধার পেতে হলে রাষ্ট্রনায়কোচিত নেতৃত্ব ও সুশাসনের কোনো বিকল্প নেই। ব্যক্তিগতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক শিক্ষক হিসেবে আমি প্রতিনিয়ত মর্মপীড়ায় ভুগী। এই মর্মপীড়ার অবসান আদৌ হবে কি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *