মেনন, ইনুর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার আবেদন খারিজ

বৈচিত্র ডেস্ক:  ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে মানহানি, রাষ্ট্রদ্রোহিতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে একটি নালিশি মামলা সরাসরি খারিজ করেছেন আদালত।

আজ সোমবার সকালে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে এ মামলার আবেদন করেন ‘রহমতে আলম সাল্লেল্লাহ আলাইহে ওয়াছাল্লাম ইন্টারন্যাশনাল’ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা মুফতি মাহমুদুল হাসান শরিয়তপুরী।

কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা ও হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে নিয়ে কূটক্তির অভিযোগে দায়ের করা এ মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমান শুনানি শেষে খারিজের আদেশ দিয়েছেন।

নালিশি মামলা দায়ের এবং খারিজ করার বিষয়টি বাদীর আইনজীবী মাহবুবুল আলম দুলাল নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় বলা হয়, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাওমী শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার জন্য কওমী শিক্ষাকে ডিগ্রী ও ডিগ্রী উত্তর সমমর্যাদায় উন্নীত করেন। দাওরা হাদীসকে স্নাতকোত্তর মর্যাদায় স্বীকৃতি দেন। ওই স্বীকৃতির পর কওমী শিক্ষার মুরুব্বি আহমদ শফির নেতৃত্বে লাখ লাখ কওমী আলেম প্রধানমন্ত্রীকে ‘কাওমী জননী’ বলে খেতাব দিয়েছেন। কওমী শিক্ষাকে প্রধানমন্ত্রী স্বীকৃতি দেওয়ার পরই ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক মুরতাদদের গাত্রদাহ শুরু হয়।

মামলায় আরও বলা হয়, আসামিরা ইদানিং মন্ত্রী পরিষদ থেকে বাদ পড়েন। তারা ক্ষমতা হারানোয় দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আল্লামা শফীকে ‘তেতুল হুজুর’সহ বিভিন্ন উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। যা এ মুসলিম প্রধান দেশে জনগণের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে অরাজকতার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। এ ছাড়া আসামিরা জাতীয় সংসদে কওমী শিক্ষাকে বিষবৃক্ষের সঙ্গে তুলনা করে ইসলামী শিক্ষাকে ‘মোল্লাতন্ত্র’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। যা দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান জনগোষ্ঠেী ও ধর্মীয় আধ্যাতিক আল্লামা শফিসহ আলেম সমাজের মধ্যে জনরোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *