মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

বৈচিত্র রিপোর্ট :   শত প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আমরা দেশকে সারা বিশ্বের কাছে মর্যাদাপূর্ণ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছি। এই অগ্রযাত্রা যেন অব্যাহত থাকে।’

তিনি বলেন, ‘স্বজন হারানোর শোকের মাস আগস্ট। সেই বেদনা নিয়েও দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করছে আওয়ামী লীগ সরকার। এ সময় ১৫ আগস্ট নিহতদের স্মরণ করেন তিনি। জাতীয় চার নেতা ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদেরও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।’

সোমবার সকালে গণভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের শুরুতে এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে আর কেউ যেন খাটো করে দেখতে না পারে, বিশ্বে যেন বাংলাদেশ একটা মর্যাদা নিয়ে চলতে পারে সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা দেশ পরিচালনা করছি। মানুষের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই যে তারা আমাদের ওপর আস্থা রেখেছেন, বিশ্বাস রেখেছেন। তারা ভোট দিয়েছেন বলেই আজ সেবা করার সুযোগ পাচ্ছি।’

বক্তব্যের শুরুতেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, ১৫ আগস্টের শহীর, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ৩০ লাখ মানুষ, সম্ভ্রম হারানো দুই লাখ মা-বোন, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর নিহত জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় ১৫ আগস্ট নিহত তার পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া চান তিনি।

বাংলাদেশের সব মানুষকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আজকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের দারিদ্রতার হার কমেছে, মাথাপিছু আয় বেড়েছে। আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই।

‘যারা স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে বেঁচে আছেন তারাই বুঝবেন আমার কষ্ট। আমি নিজেকে উৎসর্গ করেছি বাংলার মানুষর ভাগ্য গড়ে দেওয়ার জন্য। সবসময় মনে হয় বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকলে আমার বাবা-মার আত্মা খুশি হবে’, যোগ করেন তিনি।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে গণভবনে সমবেত দলীয় নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগণের সামনে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ পরিবারের সদস্যরাও তার সঙ্গে ছিলেন।

এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কর্নেল (অব.) ফারুক খান, মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ আওয়ামী লীগ নেতারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *