কিশোরগঞ্জের পুরো হাওর এখন পর্যটন এলাকা

বৈচিত্র ডেস্ক : এক সময়ে মানুষ হাওরে যেতে চাইত না। কিন্তু আজ হাজার হাজার মানুষ সারা দেশ থেকে হাওরে বেড়াতে যায়। বিস্ময়কর অলওয়েদার রোড দেখতে যায়। সেখানকার বড় বড় সেতু দেখতে যায়। এগুলো শুনে আমার বুকটা ভরে যায়। খুব ভালো লাগে। পুরো হাওর একটা পর্যটন এলাকা হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে পর্যটকদের জন্য সুযোগ-সুবিধা আরও বাড়ানো হবে বাড়ানো হবে। তখন প্রকৃত অর্থেই হাওর হবে অপার সৌন্দর্যমন্ডিত এলাকা।

সোমবার বিকালে হাওর উপজেলা অষ্টগ্রাম সফরে গিয়ে এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এসব কথা বলেন।

হাওরাঞ্চলের অপার পর্যটন সম্ভাবনা ও সমৃদ্ধ হাওরের স্বপ্নের কথা তুলে ধরে এর উন্নয়নে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, সারা বছর চলাচল উপযোগী অলওয়েদার রোড হয়েছে, বড় বড় সেতু হয়েছে, গ্রামে গ্রামে সাবমার্জেবল রাস্তা হয়েছে। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হয়েছে। প্রতিটি ঘর আজ বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত। ভবিষ্যতে ফ্লাইওভারের মাধ্যমে সারা দেশের সঙ্গে হাওরের সরাসরি যোগাযোগ সৃষ্টি হবে। কাজেই হাওরবাসীর স্বপ্ন অনেক উপরে।

এক সময়ের চরম অনগ্রসর ও অবহেলিত হাওরের বর্ণনা দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, সেই দিন আর নেই। আজ ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উন্নয়ন-অগ্রগতিতে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। সারাদেশের মতো হাওরেও ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে।

স্থানীয় নাগরিক কমিটি আয়োজিত অষ্টগ্রাম খেলার মাঠে সুধী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক। অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেন, সাবেক আইজিপি ও কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, অষ্টগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম জেমস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল হক হায়দারী, অষ্টগ্রাম রোটারি কলেজের অধ্যক্ষ মজতুবা আরিফ খান।

প্রসঙ্গত, গত ৯ অক্টোবর সাত দিনের সফরে নিজ বাড়ি কিশোরগঞ্জে আসেন রাষ্ট্রপতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *