বাংলাদেশের জিডিপিতে ৭.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের

বৈচিত্র ডেস্ক : চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশের জিডিপিতে ৭ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এছাড়া আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাসে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়। খবর ইউএনবির

প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি অনুমানে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৮ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির দেখা পাওয়া বাংলাদেশ এ অঞ্চলের তৃতীয় বৃহৎ অর্থনীতি। এ দেশ ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় ভালো অবস্থানে আছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য গত বছরের ৩১ জুলাই যে বার্ষিক মুদ্রানীতি ঘোষণা করে তাতে জিডিপিতে ৮ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং মুদ্রাস্ফীতির হার সাড়ে ৫ শতাংশের মাঝে রাখার আশা প্রকাশ করা হয়।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) গত ২৫ সেপ্টেম্বর দেশের জিডিপিতে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পূর্বাভাসের পুরো সময় জুড়ে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের ওপরে থাকবে। এতে আরও বলা হয়, দৃঢ় সামষ্টিক অর্থনৈতিক কাঠামো, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, পরিকল্পিত সরকারি অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন এবং ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নে চলমান সংস্কারের ভিত্তিতে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে ২০২০ সালে প্রবৃদ্ধি বেড়ে সাড়ে ৫ শতাংশ হবে বলে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে জানানো হয়েছে, গত অর্থবছরে প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার দেশগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাওয়ার পর সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই হার কমার লক্ষণ দেখা গেছে। তবে অঞ্চলিক রপ্তানি সামষ্টিকভাবে কমে আসলেও বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি বেড়েছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের জন্য কিছু ঝুঁকির কথাও বলা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, কর আহরণ ব্যবস্থা উন্নয়নে সংস্কারকাজে অগ্রগতি না হওয়ায় রাজস্ব আয়ে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে, যার কারণে বাজেট ঘাটতি কমানো দুরূহ হয়ে উঠবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *