আবরার হত্যা : পলাতক মোর্শেদের আত্মসমর্পণ

বৈচিত্র ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বী (২২) হত্যা মামলায় পলাতক চার আসামির মধ্যে মোর্শেদ অমত্য ইসলাম আত্মসমর্পণ করেছে।

রোববার ঢাকা মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইয়াসমিন আরার আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পন করে জামিন আবেদন করেন। বেলা ১২টার দিকে জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান।

আসামিপক্ষের আইনজীবী ইমরুল হাসান এ তথ্য জানান।

গত ১৩ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. ওয়াহিদুজ্জামান ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। গত ১৮ নভেম্বর ডিবি পুলিশের দেয়া চার্জশিট গ্রহণ করেন আদালত।

মোর্শেদ অমত্য ইসলাম, মুহাম্মদ মোর্শেদ-উজ-জামান মণ্ডল ওরফে জিসান,  এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম ও মুজতবা রাফিদ পলাতক থাকায় আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩ ডিসেম্বর তারিখ ধার্য করেন। আসামিরা গ্রেপ্তার এড়াতে পলাতক রয়েছেন মর্মে উল্লেখ করে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করে। এজন্য আদালত সম্পত্তি ক্রোক পরোয়ানা জারি করেছেন। কিন্তু আসামিদের ব্যক্তিগত কোনো মালামাল না থাকায় সম্পত্তি ক্রোক করা যায়নি।

এরপর আদালত আসামিদের আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। আগামীকাল মামলার শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের দ্বিতীয় তলার সিঁড়ি থেকে অচেতন অবস্থায় আবরার ফাহাদকে উদ্ধার করা হয়। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই রাতে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরার ফাহাদকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন বেদম মারধর করে।

এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে ৭ অক্টোবর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ। আবরার বুয়েটের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *