মাঠে হ্যান্ডশেকের প্রয়োজন নেই : তামিম

ক্রীড়া ডেস্ক : স্থায়ী অধিনায়ক হিসেবে জাতীয় ক্রিকেট দলের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই দল নেতা হিসেবে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেতে যাচ্ছেন ওপেনার তামিম ইকবাল। নেতা হিসেবে বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণসহ দলের করণীয় নির্ধারণের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ হিসেবে তামিম পেয়েছেন চলমান বঙ্গবন্ধু ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) দল প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের নেতৃত্ব। এই মৌসুমের জন্য দলনেতা হিসেবে তামিম ইকবালকে বেছে নিয়েছে প্রাইম ব্যাংক। আগামীকাল মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টে নিজেদে প্রথম ম্যাচে গাজী গ্রুপের বিপক্ষে মাঠে নামবে তামিমের নেতৃত্বাধীন প্রাইম ব্যাংক। ঘরোয়া ক্রিকেটে তামিমের অধিনায়কত্ব এই প্রথম নয়। কয়েক মৌসুম আগে ঘরোয়া ক্রিকেটের পাওয়ার হাউজ নামে পরিচিত আবাহনী লিমিটেডেরও নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। তবে যেহেতু মাশরাফি বিন মুর্তাজার মতো নেতার বিকল্প হিসেবে জাতীয় ক্রিকেট দলের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তাই এখন তামিমে এই অধিনায়কত্বে তীব্র নজর থাকবে সবার।

রবিবার তামিম বলেন, ‘প্রাইম ব্যাংক আমাকে নেতৃত্ব ভার দেয়ায় চেষ্টা থাকবে সঠিকভাবে এই দায়িত্ব পালন করার। অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্যও এটি একটি ভালো সুযোগ। আমি এখন আমার কর্তব্য পালনের অপেক্ষায় আছি। দেখা যাক কি হয়।

তামিম বলেন, লিগ চ্যাম্পিয়ন হবার লক্ষ্যেই সব সময় দল গঠন করে প্রাইম ব্যাংক। তাই এটি খুবই চ্যালেঞ্জের বিষয়। প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে ভালো সুচনাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেও মনে করেন তিনি, ‘ভালো সুচনা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ। কাল আমরা এমন একটি দলের (গাজী গ্রুপ) মোকাবেলা করতে যাচ্ছি, যে দলটিও চ্যাম্পিয়ন হবার দৌঁড়ে রয়েছে। আমরা যদি তাদের হারাতে পারি, তাহলে আমাদের শুরুটা যেমন ভালো হবে, তেমনি বাড়তি অনুপ্রেরণাও পাব। দল হিসেবে প্রাইম ব্যাংক খুবই শক্তিশালী। আমরা যদি আমাদের যোগ্যতা ও সামর্থ্যের সেরাটা দিয়ে খেলতে পারি, তাহলে আমার মনে হয় জয়লাভ করতে পারব।

পেশাদারিত্ব থাকায় প্রাইম ব্যাংকের শিবিরে যোগ দিতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করে তামিম বলেন, ‘শুরুতেই আমরা দল সম্পর্কে ভালো একটি পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট পেয়েছি। এই ক্লাবে আগে যারা খেলেছে তাদের সবাই বলেছে যে এই ক্লাবটি দারুন পেশাদার। এখনো পর্যন্ত এই ক্লাবে আমার যতটুকু অভিজ্ঞতা হয়েছে তা খুবই চমৎকার। আশা করি শেষ অবধি এটি অব্যাহত থাকবে।

তামিম আরো বলেন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় এর প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে তারা অন্য খেলোয়াড়ের সঙ্গে মাঠে করমর্দন করবেন না। তিনি বলেন, ‘এখানো পর্যন্ত আমরা খেলার কথা বলতে পারছি। তবে যদি কোনো ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তাহলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানিয়েছেন আমাদের বোর্ড সভাপতি। আমার মনে হয় এই বিষয় নিয়ে বোর্ড খুবই সতর্ক। তবে আমাদেরও সাবধান থাকতে হবে। খেলায় করমর্দনের কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ সবাই বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে বেশ ভালোভাবেই অবগত আছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *