চীনের কুনমিং, চির বসন্তের শহর

nasimrupok_1333792132_22-ssবৈচিত্র ডেস্ক :  চীনারা তাদের একেকটি প্রদেশের নামের আগে একটি করে বিশেষণ জুড়ে দিয়েছে। তাদের ভাষায়, বেইজিং হচ্ছে সাংস্কৃতিক নগরী, শাংহাই হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্যের নগরী। আর কুনমিংয়ের পরিচিতি হচ্ছে পর্যটন নগরী হিসেবে।

এই কুনমিংয়ে রয়েছে বিশ্বের বিখ্যাত স্টোন ফরেস্ট। কুনমিংকে চীনারা নাম দিয়েছেন ‘চির বসন্তের নগরী’। সারা বছরই এখানে ফুল ফোটে। রঙিন থাকে কুনমিংয়ের পথঘাট ও বাসাবাড়ির আঙিনা।

এমনিতেই কুনমিং হচ্ছে চীনের ট্রানজিট পয়েন্ট। চীনের ৪৩টি প্রদেশের একটি হচ্ছে উনান। বাংলাদেশ থেকে যেসব পর্যটক, শিক্ষার্থী বা ব্যবসায়ী চীনের বিভিন্ন প্রদেশে যান, তাদের পরদিন বিমানের ফ্লাইট ধরতে প্রথমে কুনমিংয়ে এক রাত অবস্থান করতে হয়।

বাংলাদেশের সবচেয়ে কাছের এই উনান প্রদেশের রাজধানী হচ্ছে কুনমিং। বিমানে ঢাকা থেকে কুনমিং মাত্র ২ ঘণ্টার পথ। অর্থাৎ প্রায় ১২শ’ কিলোমিটার। বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের সীমানার পূর্ব পাশেই এই উনান প্রদেশের অবস্থান।

Image result for চির বসন্তের শহর চীনের কুনমিং

কুনমিং-এর আবহাওয়া অনেকটাই বাংলাদেশের মতো। বাংলাদেশে প্রচণ্ড গরম ও শীত পড়লেও কুনমিংয়ে সারাবছরই প্রায় একই রকম আবহাওয়া। বাংলাদেশিদের জন্য কুনমিং ট্রানজিট পয়েন্ট হওয়ার কারণে ইতোমধ্যে সেখানে অনেক বাংলাদেশি পরিবার বসবাস শুরু করেছে। অনেকে বাসাবাড়ি ভাড়া নিয়ে চীন যাওয়া বাংলাদেশিদের থাকা-খাওয়ার ব্যবসা পেতে বসেছে।

কুনমিংয়ে শহরের ইনহাই গুইও মাও হুয়াইউয়ান এলাকাটি যেন এক মিনি বাংলাদেশ। কুনমিংয়ে কখনোই ঘরে এসি বা পাখার প্রয়োজন হয় না। বরং সারাবছরই রাতে গায়ে লেপ জড়িয়ে ঘুমাতে হয়। পরিচ্ছন্ন বিমানবন্দর রাস্তাঘাট। কোথাও থুথু ফেলতেও অস্বস্তি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *