এক ব্যাটসম্যান জীবন পেলেন তিনবার!

ক্রিয়া ডেস্ক : শ্রীলংকার বিপক্ষে কোনও পরিকল্পনাই কাজে আসছে না টাইগারদের। পেস এবং স্পিন কোনভাবেই লংকানদের লাগাম টেনে রাখতে পারছেন না মোস্তাফিজ, সাইফুদ্দিন, অপু, মেহেদী এবং রাহীরা।

সুযোগ তৈরি করেও তা লুফে নিতে পারেনি বাংলাদেশ দল। একের পর এক ক্যাচফেলেছেন সাইফুদ্দিন, তামিম এবং মাহমুদউল্লাহ। অবশেষে সেই হতাশার আক্ষেপ গোছালেন তামিম।

ইনিংসের শুরুতেইশ্রীলংকাকে চাপে ফেলার সুযোগ ছিল টাইগারদের। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি সাইফউদ্দিন। এই ম্যাচে অভিষেক হওয়া পেস বোলার আবু জায়েদ রাহীর বলে ডিপ স্কয়ার ব্যকওয়ার্ডেক্যাচ তুলে দেন মেন্ডিস। কিন্ত ক্যাচটি লুফেনিতে পারেননি সাইফউদ্দিন। প্রথম ওভারেই ৮ রানে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল গুনাথিলাকার।

৮ রানের পর ১৫ রানে ফের নতুন জীবন পান গুনাথিলাকা। নাজমুল ইসলাম অপুর বলে ক্যাচ মিড অপে ক্যাচ তুলে দিয়েও তামিম ইকবালের ব্যর্থতায় বেঁচে যান। ২৮ রানে থাকা গুনাথিলাকা ‍তৃতীয় দফায় ফের ক্যাচ তুলে দিয়েও রক্ষা পানমাহমুদউল্লাহর ব্যর্থতা। সাইফউদ্দিনের বলে কাভারে বাতাসে ভাসছিল। কিন্তু সেটি ধরার তেমন চেষ্টা দেখা যায়নি রিয়াদের মাঝে।

একের পর এক ক্যাচ ফেলে হতাশায় মুষড়ে পড়ে যায় টাইগাররা। সেই হতাশা থেকে কিছুটা মুক্তি দেন সৌম্য সরকার। জাতীয় দলের এই অনিয়মিত বোলারকে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে তামিম ইকবালের হাতে ধরা পরেন গুনাথিলাকা। তিনবার জীবন পেয়ে শেষ পর্যন্ত ৩৭ বলে ৪২ রান করে ফেরেন লংকান এই ওপেনার।

অবশ্য তার আগে বাংলাদেশি বোলারদের তুলোধুনো করে কুশল মেন্ডিসের সঙ্গেউদ্বোধনীতে ১১ ওভারে ৯৮ রানের জুটি গড়েন গুনাথিলাকা।

এই রিপোর্ট লেখা অবস্থায় শ্রীলংকার সংগ্রহ ১৫ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান। ৬৮ ও ৩০ রান নিয়ে ব্যাটিং করে যাচ্ছেন মেন্ডিস ও থিসেরা পেরেরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *