নোয়াখালীতে লকডাউন মানা হচ্ছেনা

নোয়াখালীতে লকডাউন মানা হচ্ছেনা

নোয়াখালীতে লকডাউন মানা হচ্ছেনা
ছবি: সংগৃহীত

বৈচিত্র ডেস্ক:নতুন করে নোয়াখালীতে আরও ৫৯ জনের শরীরের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। যার মধ্যে লকডাউনকৃত সদর উপজেলায় ৩৫ রোগী রয়েছেন।

এদিকে লকডাউনে বেশিরভাগ মানুষই মাস্ক পরছেন না। দোকানপাট, কাঁচাবাজারে স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউই। কাঁচাবাজারে মানুষের ভিড় চোখে পড়ার মতো। এ সময় লকডাউন অমান্য ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৪৫ মামলায় বিভিন্ন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে ৪৮ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৯ হাজার ২১০ জন। যার মধ্যে মারা গেছেন ১২৪ রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার তিনটি ল্যাবে ২৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নতুন শনাক্তের হার ২২ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।

সকালে জেলা শহর মাইজদীসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। কয়েকটি স্থানে যানজটও সৃষ্টি হয়েছে। দূরপাল্লার যানবাহন না ছাড়লেও অভ্যন্তরীণ সড়কে সিএনজিচালিত ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে একাধিক যাত্রী নিয়ে চলতে দেখা গেছে।

তবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে ও লকডাউন কার্যকর করতে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।

এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ৫ জুন থেকে নোয়াখালী পৌরসভা ও সদর উপজেলার ছয় ইউনিয়নে বিশেষ লকডাউনের চতুর্থ দিনও চলছে ঢিলেঢালাভাবে।

আজও মানুষের মধ্যে তেমন সচেতনতা দেখা যায়নি। শহরের বেশিরভাগ সড়কে গত কয়েক দিনের তুলনায় ছোট গাড়ির চাপ অনেক বেড়েছে।
লকডাউন অমান্য ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৪৫ মামলায় বিভিন্ন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে ৪৮ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

প্রসঙ্গত গত ৪ জুন বিকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির জরুরি বৈঠকের মাধ্যমে নোয়াখালী পৌরসভা ও সদরের ছয় ইউনিয়ন এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এ বিশেষ লকডাউন ৫ জুন ভোর ৬টা থেকে ১১ জুন রাত ১২ট পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।